1. admin@dailyoporadh.com : admin :
ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের উপর্যুপরি পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা - দৈনিক অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের উপর্যুপরি পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা

জয়ন্তিকা
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ মে, ২০২২
  • ২৩ বার পঠিত

নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় এক নারী ও তাঁর দুই সন্তানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গৃহকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গৃহকর্তা গিয়াস উদ্দিন শেখ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

আজ রোববার বিকেল ৪টার দিকে পিবিআইয়ের জেলা পুলিশ সুপার এনায়েত হোসেন মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আটকের পর গিয়াস উদ্দিন শেখ জিজ্ঞাসাবাদে মৌখিকভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের উপর্যুপরি পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। আমরা এখন তাঁকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ব্যাটসহ অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এর বিস্তারিত জানানো হবে।’

এর আগে আজ বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের বাড়ি থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহত তিনজন হলেন গিয়াস উদ্দিন শেখের স্ত্রী রাহিমা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের দুই সন্তান রাব্বি শেখ (১৩) ও রাকিবা শেখ (৭)। রাহিমা বেগম এলাকায় কাপড় সেলাইয়ের দরজি হিসেবে পরিচিত। রাব্বি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ঝরে পড়া ছাত্র ও রাকিবা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

 

গিয়াস উদ্দিন শেখ (৪৫) বেলাব উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের কাপাসিয়ার আড়াল এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টেন্ডারের মাধ্যমে রঙের কাজ করেন। তিনি বেশির ভাগ সময় গাজীপুরে অবস্থান করেন। আর দুই সন্তানকে নিয়ে রাহিমা বেগম গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। গতকাল শনিবার বিকেলে গিয়াস উদ্দিন গাজীপুরের কর্মস্থলে যান। স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে তিনি আজ সকাল ১০টার দিকে গাজীপুর থেকে বাড়িতে যান।

স্থানীয় লোকজন বলেন, আজ সকাল আটটার দিকে স্থানীয় এক নারী বানাতে দেওয়া পোশাক আনতে যান রাহিমা বেগমের বাড়িতে। বাইরে থেকে দরজা আটকানো দেখে বেশ কয়েকবার নাম ধরে সজোরে ডাকাডাকি করেন তিনি। কিন্তু আশপাশ থেকেও কারও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কৌতূহলবশত দরজার নিচ দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকান তিনি। এ সময় তিনি রক্ত দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। তখন স্থানীয় লোকজন ও প্রতিবেশীরা এসে ওই ঘরের একটি জানালা ভেঙে ঘরের ভেতর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর বেলাব থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd