1. admin@dailyoporadh.com : admin :
২০২৩ সালের শেষে ভিডিও গেমের বাজার হবে ২০৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার - দৈনিক অপরাধ
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:০৬ অপরাহ্ন
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
(ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের আটকাবস্থা থেকে দুই ম্যাজিস্ট্রেটসহ পাঁচজনকে রোববার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক ছাত্রকে কারাগারে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় আজ করোনাভাইরাসের নতুন ধরন (ভেরিয়েন্ট) ১১টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ব্লুটুথ প্রযুক্তিসংবলিত কোনো মোটরসাইকেলের নিবন্ধন দেবে না বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ডিসেম্বরের শুরুতে এটি নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের কম ভাড়ায় চলাচল নিশ্চিত করা উচিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে

২০২৩ সালের শেষে ভিডিও গেমের বাজার হবে ২০৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৯ বার পঠিত

২০২৩ সালের শেষে ভিডিও গেমের বাজার হবে ২০৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের। টাকায় রূপান্তর করলে তা হয় প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ কোটি টাকা। গেম ও ই–স্পোর্টস নিয়ে বিশ্লেষণ ও এর বাজারসংক্রান্ত গবেষণা করে নিউজু। ২০২১ সালের বিশ্ব গেম প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেয় তারা। গেমশিল্প বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্পগুলোর একটি।

এবার দেশের বাজারে আসি। দেশীয় উল্কা গেমস চলতি অর্থবছর ৫০ কোটির মতো আয় করেছে। এ অর্থবছরে ১০ কোটির মতো টাকা আয়কর দেবে বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন উল্কা গেমসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জামিলুর রশিদ।

উল্কার খবর জানা গেলেও পুরো বাংলাদেশের বাজার নিয়ে এখনো কোনো গবেষণা হয়নি। তবে শিল্পের সঙ্গে জড়িত দেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারেরা বলছেন, বর্তমানে এ বাজার ৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৪২৮ কোটি টাকার মতো হবে।

নিউজুর প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের শেষে বিশ্বের গেম ইন্ডাস্ট্রির আকার হবে প্রায় ১৫ লাখ কোটি টাকা। এর সামান্যই ধরতে পেরেছে বাংলাদেশ।

দেশে রয়েছে হাতে গোনা ১০টির মতো প্রতিষ্ঠান। হাম্বা গেমস, উল্কা গেমস লিমিটেড, আলফা পটেটো, ব্যাটারি লো ইন্টারঅ্যাকটিভ, প্লেইনজ, রাইজ আপ ল্যাবস, থান্ডার গেমস, ফ্রি পিক্সেল গেমসের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে ফ্রি পিক্সেল গেমস দেশের সবচেয়ে পুরোনো।

এসব গেমস পরবর্তী সময়ে কিনে নেয় পাবলিশার, বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে দেয় লভ্যাংশ। একটা গেম বাজারজাত করা বা মানুষের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব পাবলিশারের। দেশে এখনো এমন পাবলিশার গড়ে না উঠলেও, দেশীয় গেমস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি করছে বিভিন্ন প্রকারের গেমস।
নানা ধরনের ভিডিও গেম

খেলার সময়, গভীরতা, বিভিন্ন স্তরের ওপর ভিত্তি করে ভিডিও গেমসকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়—হাইপার ক্যাজুয়াল, হাইব্রিড ক্যাজুয়াল, ক্যাজুয়াল, মিডকোর ও হার্ডকোর।

এর মধ্যে হাইপার ক্যাজুয়াল গেমস স্থায়িত্ব খুবই কম সময় এবং দিনের বিভিন্ন কাজের ফাঁকে একটু বিরতিতে খেলা যায়। স্থায়ীত্ব হয় সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিনিট।

এরপরই রয়েছে হাইব্রিড ক্যাজুয়াল গেমস, যা হাইপার ক্যাজুয়াল গেমসের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় নিয়ে খেলা হয়। ক্যাজুয়াল গেমসের স্থায়ীত্ব একটু বেশি।

ওপরের তিনটি গেমই মূলত ফোনে বেশি খেলা হয় এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। খেলার নিয়মগুলো সহজ, খেলতে দক্ষতা লাগে কম। এগুলো খেলতে সাধারণত অর্থ খরচ করতে হয় না এবং আয় বিজ্ঞাপননির্ভর।

ওপরের গেমগুলোর তুলনায় মিডকোর ও হার্ডকোর গেমস একটু কঠিন। শিখতে সময় বেশি লাগে, খেলায় নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে হয়। তা ছাড়া অন্য খেলোয়াড়ের বিপক্ষে থাকে জয়ের তাড়না। এতে গভীর গল্প ও যুদ্ধ থাকে। খেলার অনেকগুলো স্তরও থাকে।

আবার খেলার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গেমগুলো আরও কিছু অংশে ভাগ করা যায়—অ্যাকশন, অভিযানভিত্তিক, কৌশলগত, স্পোর্টস, পাজল গেমস ইত্যাদি।

বিশ্ববাজার ধরতে দেশে দাপট ‘হাইপার ক্যাজুয়াল’ গেমের
দেশে তৈরি গেমগুলোর বেশির ভাগই হাইপার ক্যাজুয়াল। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সংখ্যাটা মোট প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধেকের বেশি।

তেমনই একটি প্রতিষ্ঠান হাম্বা স্টুডিও। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দেশে তারাই এ গেম প্রথম নিয়ে আসে ২০১৬ সালে। এ ধরনের গেমে বর্তমানে সুনাম কুড়িয়েছে আলফা পটেটো গেমসও। এ ছাড়া প্লেইনজ, থানডার গেমসরও মনোযোগ মূলত হাইপার ক্যাজুয়াল গেমস তৈরির দিকে।

থানডার গেমসের সহপ্রতিষ্ঠাতা বনী ইউসুফ জানান, তিনি আগে অন্য গেম বানালেও বর্তমানে নতুন প্রতিষ্ঠানের হয়ে হাইপার ক্যাজুয়াল গেমসেই ঝুঁকছেন।

হাম্বা স্টুডিওর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান শুভ প্রথম আলোকে বলেন, ২ থেকে ৩ মাসে একটা ভালো হাইপার ক্যাজুয়াল গেমস তৈরি করা যায়। ফলে গেমটা সফলতার মুখ না দেখলেও খুব বেশি হতাশ হতে হয় না।

অন্যদিকে উল্কা গেমস লিমিটেড আবার ক্যাজুয়াল ও মিডকোরের মাঝামাঝি ধরনের গেম তৈরি করছে।

এর মধ্যে আবার দুটি প্রতিষ্ঠান এআর ও ভিআর গেমও তৈরি করছেন। তবে সেটা মূলত দেশের বাজারের জন্য।

দেশের বাজার ধরতে এআর, ভিআর
বিশ্ববাজার ধরতে দেশের বেশির ভাগ হাইপার ক্যাজুয়াল গেমস বানালেও, দেশের বাজার ধরতে কিছু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা ব্যাটারি লো ইন্টারঅ্যাকটিভ। এরপরই রয়েছে রাইজ আপ ল্যাবস, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০৯ সালে।

মূলত দেশের বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সরকারের জন্য এসব গেম বানিয়েছেন তারা।

এআর বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি হচ্ছে, কোনো বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) চরিত্রের সমন্বয়। আর ভিআর বা ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটিতে আপনার মনে হবে যে নিজেই ত্রিমাত্রিক জগতে চলে গেছেন। এ জন্য অবশ্য চোখে একটি ভিআর গ্লাস পড়তে হয়। গেমের গভীরতা ও ধরন অনুযায়ী এসব গেম তৈরিতে ১ মাস থেকে ১ বছরও লেগে যায়।

ব্যাটারি লো ইন্টারঅ্যাকটিভের প্রধান প্রযুক্তি অফিসার (সিটিও) মিনহাজ মিমো প্রথম আলোকে বলেন, দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে লোকজন ভিডিও গেমের পেছনে খরচে আগ্রহী নয়। তাই দেশীয় বেসরকারি, এনজিও, করপোরেট ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিআর ও এআর গেম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। বেশির ভাগই সেসব প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পেইনের জন্য করা।

ব্যাটারি লো ইন্টারঅ্যাকটিভ এখন পর্যন্ত মোট ৫১টি গেম তৈরি করেছে। এর মধ্যে ১৬টি ভিআর ও ১১টি এআর।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ারের কিছু প্রতিষ্ঠানের জন্যও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১৪টি অংশীদারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিবদ্ধ।

অন্যদিকে রাইজ আপ ল্যাবস ১০ থেকে ১২টি এআর ও ৭টি ভিআর গেমস তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রোডাক্ট ম্যানেজার এনামুল হক রাতুল।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd