1. admin@dailyoporadh.com : admin :
ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ, আর পরিবহন ভাড়া বেড়েছে ২৭ শতাংশ - দৈনিক অপরাধ
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০০ অপরাহ্ন
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
(ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের আটকাবস্থা থেকে দুই ম্যাজিস্ট্রেটসহ পাঁচজনকে রোববার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক ছাত্রকে কারাগারে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় আজ করোনাভাইরাসের নতুন ধরন (ভেরিয়েন্ট) ১১টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ব্লুটুথ প্রযুক্তিসংবলিত কোনো মোটরসাইকেলের নিবন্ধন দেবে না বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ডিসেম্বরের শুরুতে এটি নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের কম ভাড়ায় চলাচল নিশ্চিত করা উচিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে

ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ, আর পরিবহন ভাড়া বেড়েছে ২৭ শতাংশ

জয়িতা দাস
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৯ বার পঠিত

ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ, আর পরিবহন ভাড়া বেড়েছে ২৭ শতাংশ। এর ফলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও (বিপিসি) লাভে, মুনাফা বাড়বে প্রভাবশালী পরিবহনমালিকদেরও। একেই ইংরেজিতে বলে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি। তবে সরকার ও পরিবহনমালিকদের এই সম্মিলিত উদ্যোগ, একসঙ্গে কাজ করার এই যে নজির, তা অতুলনীয়।

তবে তিন দিন ধরে ঘটনা যেভাবে এগিয়েছে, তাতে বলাই যায়, এ ছিল যেন পরিবহনভাড়া বাড়ানোর এক পাতানো খেলা। নইলে এক লাফে
ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১৫ টাকা বাড়াবেই বা কেন। দেশে এর আগে এক লাফে এতটা দাম কখনোই বাড়ানো হয়নি।

অতীতের দিকে তাকানো যাক। ১৯৭৫ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাকার অবমূল্যায়ন করা হয়েছিল। ওই দিন এক ধাক্কায় টাকার অবমূল্যায়ন করা হয়েছিল প্রায় ৫৮ শতাংশ। এর পর থেকে বাংলাদেশ অসংখ্যবার টাকার অবমূল্যায়ন করলেও তা ছিল অল্প অল্প মাত্রায়। একবারে ৫৮ শতাংশের মতো অবমূল্যায়নের পথে আর কখনো যায়নি বাংলাদেশ।

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিক থেকে শুরু করে ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক অসংখ্যবার মুদ্রার অবমূল্যায়ন করেছে। বেশির ভাগ সময়েই ৫০ পয়সা করে অবমূল্যায়ন করা হতো। অবমূল্যায়ন করলে রপ্তানিকারকেরা লাভবান হন, আমদানি খানিকটা ব্যয়বহুল হয়। ফলে অতিমাত্রায় এবং বেশি হারে অবমূল্যায়ন করা হলে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। সুতরাং দেশের ভোক্তা বা সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে প্রতিবারই সহনীয় মাত্রায় অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে যতবার মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে, যতবার জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে, প্রতিবার একই কথা বলা হয়েছে। তবে ভোজ্যতেল বা চিনির দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের কৌশল একটু ভিন্ন। যখন বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যায়, তখন সামান্য লাভ বা কিছুটা লোকসান হয়, এমন একটা দর সরকার নির্ধারণ করে দেয়। ব্যবসায়ীরা খুব একটা উচ্চবাচ্য করেন না। কারণ, যখন বিশ্ববাজারে দাম কমে যায়, তখন সরকার উচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেয়। ফলে ব্যবসায়ীরা আগের লোকসান কাটিয়ে ঠিকই বড় অঙ্কের লাভ করেন। এই নীতি চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে।

তাহলে হঠাৎ সরকার কেন ডিজেল আর কেরোসিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে দিল? জ্বালানি তেলের দর লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ইতিহাস আর নেই। আমরা জানি, গত সাত বছরে সরকার জ্বালানি তেল আমদানি করে ৪৩ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা লাভ করেছে। এই সাত বছরে বেশির ভাগ সময় প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৫০ ডলারের নিচে। এর মধ্যে আবার এক বছর আগে তা শূন্যেও নেমে এসেছিল। ফলে বিপিসির লাভ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। কেননা এ সময় সরকার জ্বালানি তেলের দাম তেমন কমায়নি। কেবল চক্ষুলজ্জার জন্য ২০১৬ সালে সামান্য কমানো হয়েছিল। যেমন ডিজেল ও কেরোসিনে দাম কমেছিল লিটারে মাত্র ৩ টাকা আর অকটেন ও পেট্রলে ১০ টাকা।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd