1. admin@dailyoporadh.com : admin :
দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে - দৈনিক অপরাধ
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বৃষ্টির বাগড়া শুধু পাস করেই চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরা উদ্যোক্তা হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে করোনা সংক্রমিত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, এ সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯৭ জন বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে ডেমু ট্রেনের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও চারজন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কন্টেইনারবাহী কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন করোনার দুঃসময়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা সমুদ্রগামী জাহাজে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি সীমিত অদম্য ইচ্ছার জোরেই এখন স্বপ্নের কাছাকাছি এসে পৌঁছেছেন শোভা রানী

দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে

লিংকন
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬১ বার পঠিত

দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে। রবির হাতে এখন ২ হাজার ৪৭০টি টাওয়ার রয়েছে। এগুলো বিক্রির জন্য তারা আলোচনা চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে।
রবি সূত্র জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে ভাগাভাগি করে টাওয়ার ব্যবহার, টাওয়ার সামলানোর খরচ কমানো ও এককালীন আয়ের সুযোগ তৈরির জন্যই তারা সব টাওয়ার বিক্রি করে দিতে চায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় মোবাইল অপারেটরদের বিনিয়োগ সুরক্ষায় টাওয়ার ভাগাভাগির কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে রবি অনেক আগে থেকেই উদ্যাগ নিয়ে কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, ‘ভাগাভাগির মাধ্যমে টাওয়ার ব্যবস্থাপনার খরচ ও সংখ্যা কমিয়ে এনে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

দেশে এখন চারটি মোবাইল অপারেটর রয়েছে—গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিঙ্ক ও টেলিটক। এক সময় এই অপারেটরগুলো নিজেরা মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য টাওয়ার বসাতো। ২০১৮ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চারটি টাওয়ার কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়।
মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার জন্য এলাকাভিত্তিক বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশন বা বিটিএস বসানো হয়, যা মোবাইল টাওয়ার নামে পরিচিত। ইডটকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড, সামিট টাওয়ারস লিমিটেড, কীর্তনখোলা টাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড ও এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেড—এই চার প্রতিষ্ঠান এখন টাওয়ার বসানো ও পরিচালনা করছে। বিটিআরসির নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল অপারেটরগুলো আর কোনো টাওয়ার বসাতে পারবে না। তবে তাদের হাতে পুরোনো টাওয়ারগুলো থাকতে পারবে।

টাওয়ার কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়ার যুক্তি হিসেবে ২০১৮ সালে বিটিআরসি বলেছিল, ভাগাভাগি করে ব্যবহার নিশ্চিত করতেই টাওয়ার কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে টাওয়ার বসাতে মোবাইল অপারেটরগুলোর বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে না। টাওয়ারের অনিয়ন্ত্রিত সংখ্যা ভূমি, বিদ্যুতের ব্যবহার ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ধরা যাক, গ্রামের একটি এলাকায় চারটি কোম্পানি জমি কিনে চারটি টাওয়ার বসালো। এর বদলে একটি টাওয়ার বসিয়ে সবাই মিলে ভাগাভাগি জমি নষ্ট কম হয়। আবার বিনিয়োগও কম লাগে।

বিটিআরসির নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম বছরে কোম্পানিগুলো দেশের সব বিভাগীয় শহরে সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে। দ্বিতীয় বছরে জেলা শহর, তৃতীয় বছরে ৩০ শতাংশ উপজেলা, চতুর্থ বছর ৬০ শতাংশ উপজেলা ও পঞ্চম বছরে দেশের সব উপজেলায় টাওয়ার বসাতে হবে। অবশ্য সেবা পর্যায়ে চুক্তি বা সার্ভিস লেভেল অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে জটিলতায় নতুন টাওয়ার স্থাপন ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে মোটামুটি দুই বছর থমকে ছিল। গত নভেম্বরে জটিলতা কাটে। মোবাইল অপারেটরদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন টাওয়ার স্থাপন শুরু করে টাওয়ার কোম্পানিগুলো। এর আগে থেকেই মোবাইল অপারেটরগুলো তাদের হাতে থাকা টাওয়ার বিক্রি করে দেবে বলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।

রবি এর আগে ২০১৫ সালে ইডটকো নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ৫ হাজার ২৫৮টি টাওয়ার বিক্রি করে দেয়। এ প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা রয়েছে রবির মালিক প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়ার আজিয়াটা বারহাদের হাতে। টাওয়ার বিক্রি করে রবি পায় ২৫ কোটি ডলার, যা বর্তমানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, টাওয়ার ভাগাভাগি করে ব্যবহারের জন্য বিটিআরসি যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তা এখনো সফল হয়নি। এখন দেশে ২৫ হাজারের মতো টাওয়ার মোবাইল অপারেটরগুলোর হাতে আছে। তার ১৫ শতাংশের মতো ভাগাভাগি হয়। অপারেটরগুলো নিজেরা চাইলে নিজেদের টাওয়ার অন্য অপারেটরকে ব্যবহার করতে দিতে পারে।

দেশে গ্রাহক সংখ্যার তুলনায় টাওয়ার সংখ্যাও কম বলে টেলিযোগাযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন। তারা বলছেন, সব মিলিয়ে সেবার মান উন্নত নয়।
জানতে চাইলে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের সাবেক মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, মোবাইল সেবায় সমন্বিত লাইসেন্স দরকার ছিল। তার বদলে সেবা ব্যবস্থায় একেক অংশের আলাদা আলাদা লাইসেন্সের কারণে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়নি। তিনি বলেন, এখন দরকার সংশ্লিষ্ট নীতিমালাগুলো পুর্নমূল্যায়ণ করা।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd