1. admin@dailyoporadh.com : admin :
মায়ের পেটে বসেই মাস্টার্স পরীক্ষা দেবে, কিন্তু তা আর হলো না, পরীক্ষা দিতে সে মায়ের পেট থেকে বাইরেই চলে এল - দৈনিক অপরাধ
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্পর্ক করোনা মহামারির মধ্যেও খুব একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশকে পৃথিবীর ‘নাম্বার ওয়ান’ বা সেরা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন করোনা সংক্রমণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৭৮ জন। চেক জালিয়াতির মাধ্যমে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ব্যাংক হিসাব থেকে আরও আড়াই কোটি টাকা আত্মসাত সারা দেশে প্রতিমা, পূজামণ্ডপ, মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে গণ–অনশন, গণ–অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য আবার সুযোগ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সাম্প্রদায়িক শক্তি মনে করে, ঠিক একাত্তরের মতো টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি)

মায়ের পেটে বসেই মাস্টার্স পরীক্ষা দেবে, কিন্তু তা আর হলো না, পরীক্ষা দিতে সে মায়ের পেট থেকে বাইরেই চলে এল

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৬ বার পঠিত

হাসপাতালের বিছানার মাথার দিকটি একটু উঁচু করে রাখায় তা অনেকটা চেয়ারের মতো হয়েছে। আর রোগীর খাবারের জন্য যে ছোট ট্রলি বা টেবিল, সেই টেবিলকে বানানো হয়েছে পরীক্ষা হলের বেঞ্চ। পাশের সোফায় বসে আছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের এক হাসপাতালের চিত্র এটি। আজ বুধবার হাসপাতালের বিছানায় বসে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত জরাবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছেন খাদিজা আক্তার। পরীক্ষার সময় পাশেই বেবি কটে ঘুমিয়ে ছিল মেয়ে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই মেয়ের জন্ম দেন খাদিজা।

আজ বেলা তিনটার দিকে মোহাম্মদপুরের ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কেবিনে গিয়ে কথা হয় খাদিজা ও তাঁর স্বামী আলী শাহরুফ মো. জীমের সঙ্গে। শরীরে কাটাছেঁড়া যন্ত্রণার পাশাপাশি পরীক্ষার ধকলে কাহিল থাকার কথা থাকলেও খাদিজার মুখের হাসিই বলে দিচ্ছিল, এই মা পরীক্ষা দিতে পেরে কতটা খুশি হয়েছেন। বললেন, ‘গতকাল রাতে মেয়ের জন্ম হয়। পোস্ট–অপারেটিভে ছিলাম।

আজ সকাল থেকে শুধু ভাবছিলাম, কখন আমাকে কেবিনে দেবে। কেবিনে এসে বার্ধক্যবিষয়ক জরাবিজ্ঞানের বইটি একটু নেড়েচেড়েও দেখেছি। শুধু মনে হয়েছে, আর একটু যদি পড়ে নিতে পারতাম। চিকিৎসক ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথানাশক ওষুধ দিয়েছিলেন। আর পরীক্ষার সময় শরীরের ব্যথার কথা প্রায় ভুলে গিয়েছিলাম। শুধু মনে হয়েছে, যে করেই হোক, পরীক্ষাটা দিতে হবে। পরীক্ষা বেশ ভালোই হয়েছে।’—কথাগুলো বলেই আবার একগাল হাসি দিলেন খাদিজা। খাদিজার এর আগের পরীক্ষাটি ছিল ২৬ সেপ্টেম্বর।

খাদিজা ইডেন মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা হলে গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনায় পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। চলতি মাসের ২২ তারিখ পরীক্ষা শুরু হয়। আগের পরীক্ষাগুলো খাদিজা ঢাকা কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়েই দিয়েছেন। আগামী ৩ অক্টোবর তাঁর শেষ পরীক্ষা। খাদিজা আশা করছেন, শেষ পরীক্ষাটি তিনি কেন্দ্রে বসেই দিতে পারবেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd