1. admin@dailyoporadh.com : admin :
মাদারীপুরের শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে শিশুকে হত্যা - দৈনিক অপরাধ
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোগী শনাক্তের হার বেড়ে ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিংবদন্তিতুল্য সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমতে পারে ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে দেশে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন আগামী শনিবার থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে ট্রেন লেনদেনের তালিকা তৈরি করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম লিমিটেড ও তাদের পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান ফস্টার করপোরেশন লিমিটেড করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পৌষের প্রায় শেষ, মাঘ আসি আসি করছে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে করোনার টিকা দিতে হবে

মাদারীপুরের শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে শিশুকে হত্যা

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৩ বার পঠিত

মাদারীপুরের শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে আট বছরের এক শিশুকে গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টায় পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে গলায় বেল্ট বাঁধা অবস্থায় ওই শিশুর লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওই শিশুর নাম রতন মোল্লা। সে শিবচর উপজেলার তাহের আকনের চরকান্দী এলাকার জসিম মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় সোহান শিকদার (৯) নামের আরেক শিশুকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। সে একই এলাকার নাসির শিককদারের ছেলে। এদিকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান (১৯) নামের এক তরুণ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেহেদী উপজেলার কাচাই মাতবরেরকান্দি এলাকার বিদ্যুৎ মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় আজ বুধবার নিহত শিশুর বাবা থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী মাসখানেক চরকান্দি গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসেন। মাঝেমধ্যেই সে পাশের বাড়ির রতন ও সোহানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে লুডু খেলতেন। গতকাল সকালে সোহানের মায়ের মোবাইলে মেহেদী ও দুই শিশু লুডু খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে জয়-পরাজয় নিয়ে মেহেদীকে গালি দেয় রতন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

ওই দিন বিকেলে মেহেদী ওই দুই শিশুকে কাঁঠালবাড়ি এলাকার রেস্তোরাঁয় খাওয়ার প্রস্তাব দেন। সন্ধ্যার দিকে তারা তিনজন পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের নির্জন একটি স্থানে যায়। মেহেদী সোহানকে পানি ও চানাচুর কেনার জন্য দোকানে পাঠান। এরপর রতনের গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। সোহান সেখানে ফিরে রতনের খোঁজ করলে মেহেদী জানান, সে বাড়ি চলে গেছে। পরে মেহেদী সোহানকে বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় গিয়ে বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। সোহানের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মেহেদী সেখান থেকে পালিয়ে যান।

রতন বাড়ি না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে সোহানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ মেহেদীকে তাঁর নানার বাড়ি এলাকা থেকে আটক করে। পরে মেহেদীকে নিয়ে পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে রাত ১২টায় রতনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

রতনের মা জরিনা বেগম বলেন, ‘সামান্য একটা ঘটনায় মেহেদী আমার বুকের ধনডারে মাইরা ফালাইলো। আমার বাজানডারে যে মাইরা ফালাইছে, আমি ওর বিচার চাই, ফাঁসি চাই।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিরাজ হোসেন বলেন, মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে দুই শিশুর সঙ্গে মেহেদীর কথা–কাটাকাটি হয়। রতনকে হত্যার কথা মেহেদী স্বীকার করেছেন। রতনের স্মার্টফোনটি মেহেদীর কাছে পাওয়া গেছে।

ওসি মো. মিরাজ হোসেন বলেন, মেহেদী তাঁর পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় একটি বস্তিতে থাকেন। মাসখানেক আগে নানার বাড়িতে এসেছেন। এ ঘটনায় রতনের বাবা জসিম মোল্লা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় মেহেদীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd