1. admin@dailyoporadh.com : admin :
সাইবার অপরাধের ঘটনায় করা মামলার বেশির ভাগ অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারছে না - দৈনিক অপরাধ
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাম্প্রদায়িক শক্তি মনে করে, ঠিক একাত্তরের মতো টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি) উজানের পাহাড়ি ঢল আর দুই দিনের বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির উত্তর পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে ইকবাল হোসেন (৩৫) পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলিউড তারকা শাহরুখ খানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে ঢুকেছেন ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) কর্মকর্তারা দেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে, ক্রমান্বয়ে দেশের সব মানুষই টিকা পাবে দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে

সাইবার অপরাধের ঘটনায় করা মামলার বেশির ভাগ অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারছে না

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৫ বার পঠিত

সাইবার অপরাধের ঘটনায় করা মামলার বেশির ভাগ অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারছে না। গত সাত বছরে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে ৭৬৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এগুলোর মধ্যে সাজা হয়েছে মাত্র ২২টি মামলায়। শতকরা হিসাবে সাজার হার ২ দশমিক ৮৬। বাকি ৯৭ দশমিক ১৪ শতাংশের বেশি মামলায় আসামিরা অব্যাহতি অথবা খালাস পেয়েছেন। ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের দৈনন্দিন কার্যতালিকাসহ মামলাসংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে এসব মামলার অনেক আসামিকে কারাগারে যেতে হয়েছে। অনেককে পুলিশি রিমান্ডেও থাকতে হয়েছে। আসামি ও আইনজীবীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, এলাকায় টিকে থাকার জন্য তাঁদের বাদীর সঙ্গে রাজনৈতিক, সামাজিক বা আর্থিক প্রক্রিয়ায় আপস–মীমাংসায় পৌঁছাতে হয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গিয়ে আর্থিক, মানসিক ও শারীরিক ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু আইনে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না থাকায় শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিকারও পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।

২০১৩ সাল থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলো দুই বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করেছে। এই সময়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য মামলা এসেছে ২ হাজার ৬৬৯টি। অনিষ্পন্ন মামলাগুলোর বিচারকাজ এখন আটটি বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে চলছে। এসব মামলায় মোট আসামি প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন (আইসিটি) এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সোচ্চার ছিল গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সব পক্ষের অভিযোগ ছিল, এর মাধ্যমে মানুষের কথা বলার অধিকার সংকুচিত হবে। উদ্দেশ্যমূলক হয়রানির কারণে সমাজে ভীতির সঞ্চার হবে এবং সর্বোপরি মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে। আইনজ্ঞরা বলছেন, ৯৭ শতাংশের বেশি মামলায় আসামির খালাস বা অব্যাহতির তথ্য এ আশঙ্কাগুলোকে সত্য প্রমাণ করছে।

নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলো হয়েছে আইসিটি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায়। সাজা হওয়া ২২ মামলার ২০টি আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় করা। এ ধারায় শাস্তি ৭ থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা জরিমানা। বাকি দুটি মামলার একটি আইসিটি আইনের ৫৪ ও ৬৬ ধারায় এবং অন্যটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় করা।

আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার অপরাধের মধ্যে আছে ওয়েবসাইট বা ইলেকট্রনিক বিন্যাসে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করে রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ব্যক্তি ও সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়া ইত্যাদি। এ আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে ধরে মানবাধিকার ও গণমাধ্যমকর্মী এবং নাগরিক সমাজ এ ধারা বাতিলের দাবি তুলেছিল। ২০১৮ সালে সরকার ৫৭ ধারাসহ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের চারটি ধারা বিলুপ্ত করে। ওই বছরই সাইবার অপরাধের বিচারের জন্য সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে নতুন আইন করে। এরপর থেকে সাইবার অপরাধের সব মামলা এ আইনে হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd