1. admin@dailyoporadh.com : admin :
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে সরকার - দৈনিক অপরাধ
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোগী শনাক্তের হার বেড়ে ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিংবদন্তিতুল্য সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমতে পারে ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে দেশে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন আগামী শনিবার থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে ট্রেন লেনদেনের তালিকা তৈরি করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম লিমিটেড ও তাদের পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান ফস্টার করপোরেশন লিমিটেড করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পৌষের প্রায় শেষ, মাঘ আসি আসি করছে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে করোনার টিকা দিতে হবে

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে সরকার

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৮ বার পঠিত

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আজ সোমবার আমদানি-রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরকে চিঠি দিয়ে এ অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এক টনে এক হাজার কেজি। সে হিসাবে ইলিশ যাবে ২০ লাখ ৮০ হাজার কেজি। ১ কেজি ৯০০ টাকা ধরে হিসাব করলে দাম দাঁড়ায় ১৮৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি করতে পারবে ৪০ টন করে। রপ্তানির জন্য অবশ্য কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১–এর বিধিবিধান মানতে হবে। শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানিকৃত ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে। প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।

এ ছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না। অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয়। অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব-কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি করা যাবে না।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতির (বিএফএফইএ) সভাপতি মো. আমিন উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশ বছরে প্রায় ছয় লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়, যদিও এবার এখন পর্যন্ত ইলিশের সরবরাহ কিছুটা কম। তবে পুরো মৌসুম সামনে পড়ে আছে। ফলে দুই চার দশ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি হলে বাজারে প্রভাব পড়বে না।’

আমিন উল্লাহ আরও বলেন, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারকেরা মূলত চিংড়ি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি দুটোই কম। এই সময়ে অল্প ইলিশ রপ্তানির সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারবেন। তবে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা আরেকটু বাড়ালে বাজারে কম প্রভাব পড়বে। কারণ, স্বল্প সময়ে রপ্তানির বাধ্যবাধকতা থাকায় সব রপ্তানিকারক কাছাকাছি সময়ে বাজার থেকে ইলিশ কিনতে যাবেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd