1. admin@dailyoporadh.com : admin :
করোনাভাইরাসের জন্য ১ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন শিশুর শিক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে - দৈনিক অপরাধ
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি) উজানের পাহাড়ি ঢল আর দুই দিনের বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির উত্তর পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে ইকবাল হোসেন (৩৫) পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলিউড তারকা শাহরুখ খানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে ঢুকেছেন ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) কর্মকর্তারা দেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে, ক্রমান্বয়ে দেশের সব মানুষই টিকা পাবে দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে

করোনাভাইরাসের জন্য ১ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন শিশুর শিক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৪ বার পঠিত

প্রযুক্তির কল্যাণে প্রতিনিয়ত বিশ্ব নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করছে, উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবার একই সঙ্গে বর্তমান পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ রয়েছে, অনেক শিশু রয়েছে, যাদের ন্যূনতম শিক্ষা পাচ্ছে না, সমৃদ্ধির এই পথ তাদের জন্য অনেক সংকীর্ণ। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৭৭৩ মিলিয়ন মানুষের প্রাথমিক শিক্ষা (বেসিক লিটারেসি) নেই, আর করোনাভাইরাসের জন্য ১ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন শিশুর শিক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে, যার একটি বড় কারণ হচ্ছে, প্রযুক্তির সুবিধা সবার মধ্যে সমানভাবে না থাকা (United Nation, ২০২০)। অনেক শিশুর প্রযুক্তির প্রাপ্যতা না থাকায় এ মহামারিতে শিক্ষাক্ষেত্রে ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে।

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি (বিইপি) ১৯৮৫ সাল থেকেই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক ও বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে। এই উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয়গুলো এমনভাবে পরিচালনা করা হয়, যেন তা শিশুদের বাড়ির আশপাশেই থাকে, তাদের সুবিধাজনক সময়ে তারা বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ করতে পারে। অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে, বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও শিখন শেখানো উপকরণের মাধ্যমে তাদের পাঠ পরিচালনা করা হয়ে থাকে। মূলত চার বছরের কোহর্ট মডেলের মাধ্যমে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার স্তর সম্পন্ন করা হয় ও পরবর্তীকালে যেন আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় (৬ষ্ঠ শ্রেণি বা ভোকেশনাল শিক্ষা বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) অংশগ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়।

২০১৭ সালে গণশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পরা ও কখনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি, এমন শিশুদের জন্য ‘আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন’ প্রোগ্রাম গ্রহণ করে। এখানে ব্র্যাকের কোহর্ট মডেলসহ মোট চারটি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা মডেল গৃহীত হয়। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি এ প্রোগ্রামের ‘পাইলট’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গাইবান্ধায় ৩৩৩টি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাকেন্দ্র ও চট্টগ্রামে ৩৩৩টি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করে, যেখানে প্রায় ২০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পরা শিক্ষার্থী আবার শিক্ষা লাভ করছে। এ ছাড়া এ প্রোগ্রামের আয়তায় ঢাকা ও কুমিল্লা জেলায় প্রায় ৮৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য প্রায় ২ হাজার ৮০০টি শিক্ষাকেন্দ্র শুরু করবার কাজ চলছে।

করোনাভাইরাস রোধে বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা যেন ঘরে বসে শিক্ষার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যে সংসদ টিভিতে সব শ্রেণির পাঠ প্রচার শুরু করে। প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানের মধ্যে সম্পৃক্ত রাখতে রেডিওর মাধ্যমেও পাঠ প্রচার করা হয়।
বিইপি সরকারী এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানায়, টিভি ও রেডিওর মাধ্যমে পাঠ পরিচালনায় সাহায্য করে এবং কমিউনিটিকেও সম্পৃক্ত করে যেন এসব শিখনমূলক উদ্যোগে শিশুদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু এ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাকেন্দ্রের বেশির ভাগ শিশুরই সংসদ টিভি দেখার সুযোগ নেই। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভরন্যান্স ও ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) তথ্য হিসাবে গ্রামে মাত্র ১৬ শতাংশ ও শহরে মাত্র ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী সংসদ টিভিতে প্রচারিত পাঠ দেখতে এবং তাদের কাছে এ প্রযুক্তির সুবিধা নেই, ইন্টারনেট তো আরও প্রতুল (Rahman, Kabir, Jahan, & Islam, 2021)। এ ছাড়া বিইপির আউট অব স্কুল চিলড্রেন পাইলট প্রোগ্রামের ২০২১ সালের জুন মাসের মনিটরিং রিপোর্টে দেখা যায়, যারা সংসদ টিভিতে প্রচারিত পাঠ দেখত, তাদের মধ্যে শহরে ৪৪ শতাংশ এবং গ্রামে ৩৩ শতাংশ পরবর্তীকালে পাঠে অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু প্রান্তিক এই জনগণের সবচেয়ে সহজলভ্য প্রযুক্তি হলো মুঠোফোন। বিইপি সাধারণ মুঠোফোনের ‘কনফারেন্স কল’–এর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে হোম স্কুলের পরিকল্পনা করে। যেকোন মুঠোফোনে একসঙ্গে পাঁচজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা যায় কনফারেন্স কলের মাধ্যমে। মুলত ঝরে পরা শিশু বা এমন শিশু যারা কখনোই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি, এমন শিশুরা যদি আবারও দীর্ঘদিন শিক্ষার বাইরে থাকে, তাহলে তাদের আবার ঝরে পরার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এর সঙ্গে শিখন ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বিইপি হোম স্কুলের কার্যক্রম শুরু করে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd