1. admin@dailyoporadh.com : admin :
বিমানের কার্গো হোল্ডের ভেতর থেকে ১২৪ কেজি স্বর্ণের চালান উদ্ধার - দৈনিক অপরাধ
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্পর্ক করোনা মহামারির মধ্যেও খুব একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশকে পৃথিবীর ‘নাম্বার ওয়ান’ বা সেরা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন করোনা সংক্রমণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৭৮ জন। চেক জালিয়াতির মাধ্যমে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ব্যাংক হিসাব থেকে আরও আড়াই কোটি টাকা আত্মসাত সারা দেশে প্রতিমা, পূজামণ্ডপ, মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে গণ–অনশন, গণ–অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য আবার সুযোগ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সাম্প্রদায়িক শক্তি মনে করে, ঠিক একাত্তরের মতো টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি)

বিমানের কার্গো হোল্ডের ভেতর থেকে ১২৪ কেজি স্বর্ণের চালান উদ্ধার

দৈনিক অপরাধ ডেস্ক।
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪২ বার পঠিত

বাংলাদেশ বিমানের এয়ারবাস–৩১০–এর সেদিনকার যাত্রাপথ ছিল এমন—ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সেখান থেকে দুবাই। ফিরতি পথে দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকা। কিন্তু সেদিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় নামতে না নামতেই আবারও উড়তে হয় এয়ারবাসটিকে। এবার তার গন্তব্য কাঠমান্ডু।

ওই দিনের ব্যস্ত উড়ানসূচিতে কিছুটা অস্বস্তি আর অস্থিরতা তৈরি হয় দুটি পক্ষে। একটি পক্ষ এয়ারবাস—৩১০–এ স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত, অন্য পক্ষটি শুল্ক গোয়েন্দার—যাঁরা এই চোরাচালানের খবর পেয়েছিলেন আগেই। ঘটনাটা ২০১৩ সালের আগস্টের। শেষ পর্যন্ত বিমানের কার্গো হোল্ডের ভেতর থেকে শুল্ক গোয়েন্দা ১২৪ কেজি স্বর্ণের চালান উদ্ধার করে।

ঘটনার তিন দিন পর সন্দেহভাজনদের নাম উল্লেখ করে বিমানবন্দর থানায় মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এত স্বর্ণের উৎস কী? সেই চালান যাচ্ছিলই–বা কোথায়? কারা জড়িত ছিলেন পাচারকারী চক্রে? ওঠে এমন অসংখ্য প্রশ্ন।

জবাব খুঁজতে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের পৃথক দুটি দলের অনুসন্ধান শুরু হয়। বছরখানেকের মাথায় শুল্ক গোয়েন্দারা তাঁদের প্রতিবেদন জমা দেন। পুলিশ সময় নেয় চার বছর। তবু সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না। শুধু একটা বিষয়ই পরিষ্কার হয়, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাকে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের কাজে ব্যবহার করে আসছিল।

বাংলাদেশে প্রতিবছর কত স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে ঢুকছে, তার কোনো হিসাব নেই। তবে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রউফ প্রথম আলোকে জানান, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ’২১–এর মার্চ পর্যন্ত শুল্ক গোয়েন্দা ১২৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে। ২০১৮–১৯ সালে এই পরিমাণ ছিল ১৭০ এবং ২০১৯–২০ সালে ১৮০ কেজি।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের কাছে গত ১০ বছরের স্বর্ণ উদ্ধারের খতিয়ান চাইলে তাঁরা দিতে পেরেছেন ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। দেখা যাচ্ছে, ১৭টি চালানের ১০টিই এসেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে। এর বাইরে তিনটি চালান আসে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসে, একটি রিজেন্টে এবং বাকি তিনটি এমিরেটস, কাতার ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসে। শুল্ক গোয়েন্দা, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ও অলংকার ব্যবসায়ীরা জানান, পাচারকৃত স্বর্ণের উৎস মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। বাংলাদেশ হয়ে এর গন্তব্য ভারত।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ২০১৯ সালের একটি প্রতিবেদনে ‘গোল্ড ওর্থ বিলিয়নস স্মাগলড আউট অব আফ্রিকা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৭ টন স্বর্ণ আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আমদানি করেছিল। ১০ বছর পর ২০১৬ সালে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬৬ টনে। দেশটির শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে আমদানির এই হিসাব থাকলেও আফ্রিকার দেশগুলোয় এই পরিমাণ রপ্তানির খবর নেই।

এই স্বর্ণের ভোক্তাদেশ কোনটি, এমন তথ্য খুঁজতে গিয়ে পাওয়া যায় ভারতীয় সংবাদপত্রের বেশ কিছু প্রতিবেদন। দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দুসহ বেশ কিছু কাগজের খবর, পাচারকৃত স্বর্ণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে ভারত। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানাচ্ছে মূলত দুবাই থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে স্বর্ণ ঢোকে, তারপর ভারতে চলে যায়।

এয়ারবাস–৩১০ থেকে উদ্ধার ১২৪ কেজি স্বর্ণের গন্তব্য কোথায়, সে সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে অনুসন্ধানকারীরা প্রথমেই যে প্রশ্নের জবাব খোঁজেন, তা হলো দুবাই এর বিমানবন্দরে প্লেনটি সেদিন মাত্র এক ঘণ্টা থেমেছিল। ওই সময়ের মধ্যে কীভাবে ১২৪ কেজি স্বর্ণ চালান করা হলো কার্গো হোল্ডে?

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd