1. admin@dailyoporadh.com : admin :
করোনার সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ - দৈনিক অপরাধ
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাম্প্রদায়িক শক্তি মনে করে, ঠিক একাত্তরের মতো টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি) উজানের পাহাড়ি ঢল আর দুই দিনের বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির উত্তর পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে ইকবাল হোসেন (৩৫) পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলিউড তারকা শাহরুখ খানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে ঢুকেছেন ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) কর্মকর্তারা দেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে, ক্রমান্বয়ে দেশের সব মানুষই টিকা পাবে দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে

করোনার সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ

জুয়েল দাস।
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪ বার পঠিত

দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ১৫ অক্টোবরের পর থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খুলতে পারবে। তবে অবশ্যই শিক্ষার্থীদের টিকা ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের যেহেতু এখনই টিকা দেওয়া সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য করোনা সংক্রমণের হার কমার ওপর খোলা নির্ভর করছে। এ জন্য সংক্রমণের হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কোনো একটি সংখ্যা বিবেচনা করা যায় কি না, সে বিষয়ে করোনা–সংক্রান্ত কারিগরি পরামর্শক কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরামর্শ চাইবে মন্ত্রণালয়।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চ্যুয়াল সভায় খোলার আগে আরও কিছু বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সাধারণত করোনার সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সংক্রমণের এ হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কোনো একটি সংখ্যা বিবেচনা করা যায় কি না, সে বিষয়ে কারিগরি কমিটির পরামর্শ চাওয়া হবে।

বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্রমতে, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সেপ্টেম্বের কোনো এক সময়ে নির্ধারিত কোনো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনার চেষ্টা করা হবে। এটি মাথায় রেখে চলমান ছুটি ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের ক্ষেত্রে ‘ফেসশিল্ড’ নিশ্চিত করা সাপেক্ষে খোলার সিদ্ধান্ত হবে। কারণ, শিশুদের মাস্ক পরার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি পরিকল্পনা করে রেখেছে। আজকের সভায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী সাত দিনের মধ্যে এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে হবে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কি না, তার জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তদারক সেল গঠন করবে।

অন্যদিকে টিকা দেওয়াসহ কিছু বিষয় প্রতিপালন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৫ অক্টোবরের পর থেকে খোলা যাবে। কিন্তু তার আগে আগামী সাত দিনের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া ও না দেওয়ার তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।

এ বিষয়ে ইউজিসির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, আগামী সাত থেকে আট দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে টিকাদানের অবস্থা জানিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। তা থেকে জানা যাবে, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে কাদের টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং কাদের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। এ প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের আলাদা দুটি তালিকা থাকবে। একটিতে যাঁদের এনআইডি আছে, আরেকটিতে যাঁদের এনআইডি নেই। এনআইডি থাকা সত্ত্বেও যে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এখনো টিকা দেননি, তাঁদের দ্রুত টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বয়স ১৮ বছর হওয়ার পরও যাঁদের এনআইডি নেই, তাঁদের অল্প সময়ের মধ্যে এনআইডি পাওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা করবে। তারা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলবে। যদি অল্প সময়ের মধ্যে এনআইডি পেতে অসুবিধা হয়, তাহলে অন্য পরিচয়পত্রের (বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি হতে পারে বা জন্মসনদ) মাধ্যমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ টিকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে চান তাঁরা। টিকা দেওয়ার পর ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর আবারও এসব বিষয় নিয়ে সভা হবে। সেখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, এ ছুটি ছিল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এখন নতুন করে আবার উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফের গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে করোনা মহামারির পুরো সময়জুড়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কোভিড-১৯–এর কারণে স্কুল বন্ধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম। দীর্ঘ বন্ধের কারণে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত চার কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যত বেশি সময় ধরে শিশুরা বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে, সহিংসতা, শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহের ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। এতে তাদের ততই স্কুলে ফিরে আসার সম্ভাবনাও কমে যাবে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আজকের এ ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ, করোনা–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবিরসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd