1. admin@dailyoporadh.com : admin :
কোভিড–১৯ ও ডেঙ্গু—উভয়ই ভাইরাসজনিত রোগ - দৈনিক অপরাধ
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারের উখিয়ার থাইনখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাত জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি) উজানের পাহাড়ি ঢল আর দুই দিনের বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির উত্তর পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে ইকবাল হোসেন (৩৫) পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলিউড তারকা শাহরুখ খানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে ঢুকেছেন ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) কর্মকর্তারা দেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে, ক্রমান্বয়ে দেশের সব মানুষই টিকা পাবে দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা তাদের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে

কোভিড–১৯ ও ডেঙ্গু—উভয়ই ভাইরাসজনিত রোগ

ডা. সুমন বিশ্বাস।
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৬ বার পঠিত

দেশে করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি এখন বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপও। তাই এখন জ্বর হলেই চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে করোনা বা ডেঙ্গুর কথা চিন্তা করছেন। যথাযথভাবে রোগ শনাক্ত করে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন ও পুষ্টিকর খাবার খেলে এবং পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিলে উভয় রোগই সেরে যায়। তবে অনেকেরই দেখা যায়, জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন–জাতীয় ওষুধ সেবন শুরু করে দেন। এমনকি কেউ কেউ তো অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেন। রোগ শনাক্ত না করে এ ধরনের পদক্ষেপ জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

কোভিড–১৯ ও ডেঙ্গু—উভয়ই ভাইরাসজনিত রোগ। কাজেই এগুলো নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। তবে এসব রোগের কারণে যদি কোনোভাবে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়, তবেই কেবল অ্যান্টিবায়োটিক রোগ নিরাময়ে সহায়তা করবে। এসব ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করেন।

কাজেই যেকোনো জ্বরেই অ্যান্টিবায়োটিক প্রযোজ্য নয়। কেবল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে জ্বর হলে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। টাইফয়েড, নিউমোনিয়া বা শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ, প্রস্রাবে প্রদাহ, মস্তিষ্কে প্রদাহ ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত রোগ। এসব রোগে জ্বর আসতে পারে। সঠিক সময়ে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক সেবন না করলে এসব ক্ষেত্রে জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। তবে কোন রোগে কোন অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন। মনে রাখতে হবে, অ্যান্টিবায়োটিক যেমন প্রাণ রক্ষাকারী, তেমনি এর অযথা ব্যবহার রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে। সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে আর ওষুধ কাজ করতে চায় না।

 

করোনা ও ডেঙ্গু ভিন্ন ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ হলেও প্রাথমিক অবস্থায় এগুলোর কিছু উপসর্গ একই। উভয় রোগের লক্ষণ সাধারণত জ্বর দিয়ে শুরু হয়। এ ছাড়া শরীরব্যথা, বমি বমি ভাব, মুখে বিস্বাদ বা রুচি কমে যাওয়া, ক্লান্তি ইত্যাদি উভয় রোগেরই সাধারণ লক্ষণ। আর এ কারণেই এ সময় জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বেশি জরুরি।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক অপরাধ ©
A Sister Concern of Prachi 2020 Ltd